এমপিরা নির্বাচনী ‘কোনও কার্যক্রম’ করতে পারবে না: সিইসি

প্রকাশিত: ১০:০১ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১১, ২০২০

এমপিরা নির্বাচনী ‘কোনও কার্যক্রম’ করতে পারবে না, তবে ঘরোয়া বৈঠক করতে পারবেন’ ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনের আওয়ামী লীগের প্রধান সম্বয়ক তোফায়েল আহমেদের এমন বক্তব্যের পরই উল্টোটা জানালেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদা।

তিনি বলেছেন, ‘নির্বাচনের ব্যাপারে তাদের কোনও সম্পৃক্ততা থাকতে পারবে না, তাছাড়া তারা সবই (সাধারণ কাজ) করতে পারবেন। নির্বাচনের বাইরে তাদের নিষ্ক্রীয় করার সুযোগ নেই। নির্বাচনের কোনও সমন্বয়ও তারা করতে পারবেন না। নির্বাচনের কোন কার্যক্রম ঘরোয়া হোক বা বাইরেই হোক সেটা তারা করতে পারবেন না, বিধিতে সেভাবেই বলা আছে। তাদেরকে আমরা সেটি বুঝিয়ে বলেছি। নির্বাচনের ব্যাপারে যাদের নিষেধাজ্ঞা আছে প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, এমপি তারা কোন প্রার্থীর পক্ষে বা বিপক্ষে কোন কথা বলতে পারবেন না।’

শনিবার (১১ জানুয়ারি) আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে আওয়ামী লীগের সাথে বৈঠক শেষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

তোফায়েল আহমেদ ও আমির হোসেন আমুকে দুই সিটি নির্বাচনের সমন্বয়কের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে, তারা কি এ দায়িত্ব থাকতে পারেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় তারা থাকতে পারেন না। তবে সমন্বয়কের কমিটিতে কে আছে অফিসিয়ালি তেমন কিছু পাইনি। পেলে তাদের নিষেধ করব সমন্বয়কারী হিসাবে তারা দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না। তবে ঘরে বসে কি করবেন সেটা আমি কি করে বলব।’

প্রার্থীর সঙ্গে এমপিরা থাকতে পারবেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘প্রার্থীর সঙ্গে এমপিরা থাকতে পারবেন কিনা আইনে তো তেমন কোন বাধা-নিষেধ নেই। তারা পার্টির লোক হিসাবে এবং প্রার্থী হিসাবে  যদি কোন একটি নির্বাচনী এলাকায় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থাকলে প্রার্থী যেতে পারবেন না, সেটি আমি বলতে পারি না। এমপিরা যেতে পারবে তবে নির্বাচন নিয়ে কোন কথা হবে না। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড যেমন মুজিব বর্ষ পালন হচ্ছে, সেখানে তো যেকোন সভা-সমাবেশের আয়োজন হতে পারে, সেখানে তো সবাই যেতো পারবে। শুধুমাত্র প্রচার-প্রচারণা হবে না, ভোট চাইতে পারবেন না।’

সিইসির নেতৃত্বে ইসির পক্ষে নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহাদাত হোসেন চৌধুরী, মো. রফিকুল ইসলাম ও বেগম কবিতা খানম।

অন্যদিকে আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি দলে ছিলেন উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য তোফায়েল আহমেদ, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, উত্তর সিটির মিডিয়া সেলের সদস্য জয়দেব নন্দী।