ঢাবির সূর্যসেন হলে ছাত্রলীগের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ

প্রকাশিত: ১:৫৮ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২০

মুজিববর্ষ উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) মাস্টারদা সূর্যসেন হলে “তারুণ্যের ভাবনায় বঙ্গবন্ধু” শীর্ষক রচনা প্রতিযোগীতার পুরষ্কার বিতরন ও ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের আনুষ্ঠানিক নবীনবরন সম্পন্ন হয়েছে। নবীন শিক্ষার্থীদের হাতে ফুল ও বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী তুলে দিয়ে তাদেরকে বরন করে নেয় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।

বৃহস্পতিবার(৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে হলটির অতিথি কক্ষে শাখা ছাত্রলীগ আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় ও বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এতে ছাত্রলীগের বিভিন্ন বর্ষের শতাধিক কর্মী অংশগ্রহণ করে।

সূর্যসেন হল ছাত্রলীগের সদ্য সাবেক কমিটির উপ-দপ্তর সম্পাদক ইমরান হোসাইন সাগরের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি রেজাউল করিম সুমন, উপ-মানব সম্পদ বিষয়ক সম্পাদক নাহিদ হাসান শাহিন।

রচনা প্রতিযোগিতায় পুরস্কার প্রাপ্ত প্রথম তিনজন শিক্ষার্থী হলেন, শিক্ষা ও গবেষণা ইন্সটিটিউটের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী আজিজুল হক। একই বর্ষের মার্কেটিং বিভাগের মো. রিয়াজ মোস্তান ও রাষ্ট্র বিজ্ঞান বিভাগের আব্দুল্লাহ আল জাবির রিয়াদ।

পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠানে রেজাউল করিম সুমন বলেন, বঙ্গবন্ধু যেভাবে ছাত্রলীগকে মানুষের কল্যাণে নিয়োজিত করেছেন ঠিক তেমনি ভাবে আমরাও চাই ছাত্রলীগ মানুষের কল্যাণের জন্য কাজ করবে। সেই লক্ষ্যে ছাত্রলীগ ইতিমধ্যে কাজ করা শুরু করে দিয়েছে।
তিনি বলেন, ছাত্রলীগ কর্মীদেরকে নিয়ে অসমাপ্ত আত্মজীবনীর উপর পাঠচক্র ও ওরিয়েন্টেশন এর আয়োজন করছে। এরই ধারাবাহিকতায় হলগুলোতে নবীন শিক্ষার্থীদের হাতে অসমাপ্ত আত্মজীবনী তুলে দিচ্ছে। একটা শিক্ষার্থী হলে উঠার সময় ছাত্রলীগের ব্যাপারে যে নেগেটিভ ধারণা নিয়ে উঠে এর মাধ্যমে সেটা দূর হবে বলে আমি মনে করি।

নাহিদ হাসান শাহিন বলেন, বর্তমানে একটি কথা খুব শোনা যায় সেটা হল ছাত্রলীগের বিভিন্ন গ্রুপের কথা। কিন্তু প্রকৃত সত্য হল ছাত্রলীগের মধ্যে কোন গ্রুপ নেই। আমরা সবাই শেখ হাসিনার কর্মী আমরা সবাই ছাত্রলীগ। এটাই আমাদের একমাত্র পরিচয়। এই পরিচয় নিয়ে আমরা জ্ঞানচর্চার রাজনীতি করে যাব। আমাদের মধ্যে কোনো বিভেদ নেই থাকবেও না।

ইমরান হোসাইন সাগর বলেন, ছাত্রলীগ সবসময় আদর্শের রাজনীতি করে আসছে। কিন্তু একটা সময় ছাত্রলীগ সেই ধারা থেকে অন্যদিকে প্রবাহিত হয়। সেই ধারা থেকে ছাত্রলীগকে জ্ঞানচর্চার রাজনীতিতে ফিরতে হবে। এখন যে সময় এই সময় যদি ছাত্রলীগ জ্ঞান চর্চার রাজনীতি না করে তাহলে আমরা অনেক পিছিয়ে যাবো। এই উপলব্ধি থেকে আমরা আজকের এই আয়োজন করেছি। আমরা এটা প্রমাণ করতে চাই যে গেস্টরুমে সম্পর্কে যেই অপ্রপ্রচার ছড়ানো হচ্ছে সেটা মিথ্যা। সেটার কোনো ভিত্তি নাই।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থি ছিলেন, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি আনপাল সরকার পমন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সহসভাপতি হাসান জাহাঙ্গীর সুজন, সূর্যসেন হল শাখার সাবেক উপ নাট্য ও বিতর্ক সম্পাদক সিফাত ভূঁইয়া, উপ কর্মসূচি ও পরিকল্পনা সম্পাদক রাসেল রানা সোহেল, উপ ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দ আজিজুল হক কর্মী আল-আমিন খান রিজন এবং মোঃ মেহেদি হাসান।