কুশিয়ারা নদীর তীর রক্ষায় ৫৭৪ কোটি টাকার প্রকল্প

প্রকাশিত: ৯:৫৯ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২০

হবিগঞ্জ জেলার বিবিয়ানা বিদ্যুৎ কেন্দ্রসমূহের সামনে কুশিয়ারা নদীর উভয় তীরের প্রতিরক্ষা নামের প্রকল্পের জন্য ৫৭৩ কোটি ৪৮ লাখ টাকার অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)।

মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি) শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলনকক্ষে একনেক সভায় এ অনুমোদন দেয়া হয়।  একনেকের এ সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেকের চেয়ারপারসন শেখ হাসিনা। সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করে এ তথ্য জানান পরিকল্পনা সচিব নুরুল আমিন।

এছাড়া দুই হাজার ৪২২ কোটি ২৭ লাখ টাকার মোট নয়টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন দেয় একনেক। এর মধ্যে সরকার নিজস্ব তহবিল থেকে দুই হাজার ১০৮ কোটি ৪৫ লাখ টাকা এবং সংস্থার নিজস্ব অর্থায়নে ৩১৩ কোটি ৮২ লাখ টাকা। যার মধ্যে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় ‘হবিগঞ্জ জেলার বিবিয়ানা বিদ্যুৎ কেন্দ্রসমূহের সম্মুখে কুশিয়ারা নদীর উভয় তীরের প্রতিরক্ষা’ নামের এ প্রকল্পটির অনুমোদন দেয়া হয়।

এ প্রকল্পের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা তুলে ধরে নূরুল আমিন বলেন, হবিগঞ্জের কুশিয়ারা নদীর ড্রেজিং ভালোভাবে করার জন্য বলেছেন প্রধানমন্ত্রী।

পরিকল্পনা সচিব জানান, গ্রাম পর্যায়ে টেলিটকের নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ এবং ফাইভ-জি সেবাপ্রদানে নেটওয়ার্ক আধুনিকায়ন প্রকল্পটি উপস্থাপন করা হলে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য সেটি আবার ফেরত দেয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্দেশনা দিয়ে বলেছেন, টেলিটকের দায়িত্ব বাড়াতে হবে। প্রকল্পটি তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে সম্ভাব্যতা যাচাই করে তারপর একনেকে উপস্থাপন করতে হবে।

কুশিয়ারা নদীর তীর রক্ষা প্রকল্প ছাড়া অনুমোদিত অন্যান্য প্রকল্পগুলো হচ্ছে, মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৫০ শয্যা ও জেলা সদর হাসপাতালে ১০ শয্যার কিডনি ডায়ালাইসিস স্টোর স্থাপন প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ২৫৫ কোটি ২২ লাখ টাকা। বানেশ্বর-সারদা-চারঘাট-বাঘা-লালপুর-ঈশ্বরদী জেলা মহাসড়ককে আঞ্চলিক মহাসড়কমানে উন্নতকরণ প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ৫৫৪ কোটি ৩০ লাখ টাকা। সৈয়দপুর-নীলফামারী মহাসড়ক প্রশস্তকরণ ও মজবুতিকরণ প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ২১৭ কোটি টাকা। তেজগাঁওয়ে বিসিকের বহুতল ভবন নির্মাণ প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ৩০ কোটি ৩৫ লাখ টাকা।

বিসিক প্লাস্টিক শিল্পনগরী প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ২৬৪ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। বিসিকের আটটি শিল্পনগরী মেরামত ও পুনর্নির্মাণ প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ৭৪ কোটি ২৫ লাখ টাকা। ইন্ডিয়া-বাংলাদেশ ফেন্ডশিপ পাইপলাইন প্রকল্পের প্রয়োজনীয় জমি অধিগ্রহণ ও হুকুম দখল এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক সুবিধাদি উন্নয়ন প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ৩০৬ কোটি ২৩ লাখ টাকা। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকতর অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ১৪৬ কোটি ৯১ লাখ টাকা।